রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেসবুকে পোস্ট করাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের বিরোধের মধ্যে ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বিভিন্ন গণমাধ্যম ও রাবিসাসের ৪ সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন। এ ঘটনায় হামলার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। এমন আকস্মিক ও আক্রমণাত্মক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এমসি কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি (এমসিসিআরইউ)। সোমবার (৫ অক্টোবর) এক যৌথ বিবৃতিতে প্রতিবাদ জানান রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি লবীব আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. বদরুল আমিন। একইসঙ্গে এ হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী শাস্তি এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিবৃতিতে সভাপতি লবীব আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক বদরুল আমিন বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের ওপর অস্ত্র নিয়ে হামলা সংবাদ সংগ্রহের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ। এ ঘটনার দায় শুধু হামলায় সরাসরি অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলও এর সাংগঠনিক দায় এড়াতে পারে না। এমন ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের নীরব ভূমিকার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা আমাদের মর্মাহত করেছে। ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে বলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও ছাত্রদলের কাছে আমাদের প্রত্যাশা।
উল্লেখ্য, রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারকে নিয়ে ছাত্রদল নেতা এম আহসান হাবিব ও রাকসু নেতা রাকিবুল ইসলামের ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত। গুরুতর আহত সাংবাদিকরা হলেন- আগামী সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান ও দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু। এছাড়া আরও কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন।
